গতকাল প্রথম আলো কার্যালয়ের কর্মীদের জন্য বিশেষভাবে আয়োজন করা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় গায়ক ইমন চৌধুরী ও তাঁর দল বেঙ্গল সিম্ফনি সজীব সুরে গান পরিবেশন করেন। কর্মীদের উপস্থিতি ও উল্লাসের মাঝে শিল্পীরা তাদের সেরা রচনা—‘মনে রাখি’, ‘প্রেমের গন্ধ’ এবং ঐতিহ্যবাহী রাগবিলাসী গীত—একের পর এক উপস্থাপন করেন। এই অনুষ্ঠানটি কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি, কর্মস্থলের সান্নিধ্য ও সৃজনশীলতা জাগ্রত করার লক্ষ্যে আয়োজন করা হয় এবং উপস্থিত সকলের জন্য তাৎক্ষণিক আনন্দের উৎস হয়ে দাঁড়ায়।
প্রথম আলো দীর্ঘদিন ধরে কর্মীদের কল্যাণ ও সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধির জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে। পূর্বে কর্মী দিবস, বইমেলা ও শিল্পী সংলাপের মতো অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে কর্মস্থলের পরিবেশকে প্রাণবন্ত করা হয়েছে। এইবারের গীতানুষ্ঠানটি বিশেষভাবে কর্মীদের পারস্পরিক বন্ধন দৃঢ় করার পাশাপাশি, কর্মস্থলে সৃজনশীলতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে সহায়ক হিসেবে পরিকল্পিত। অতএব, এই ধরনের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে প্রতিষ্ঠানের নীতি ও কর্মী উন্নয়নের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়।
অনুষ্ঠানের পর ইমন চৌধুরী প্রকাশ্যে বলেন, “প্রিয় মানুষদের সামনে গান করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত; আপনারা যে উষ্ণ স্বাগত দিয়েছেন, তা আমার জন্য অমূল্য।” কর্মীদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তি তাঁদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “ইমন স্যার ও বেঙ্গল সিম্ফনি দলের সুরে কাজের ক্লান্তি দূর হয়ে গেল, মন ভরে গাইতে পারি।” উপস্থিত কর্মীরা সামাজিক মিডিয়ায় ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে অনুষ্ঠানটির প্রশংসা করেন, যা কর্মস্থলের ইতিবাচক পরিবেশ গঠনে সহায়ক প্রমাণিত হয়েছে।
প্রথম আলো প্রকাশনা সংস্থা এই ধরনের সাংস্কৃতিক উদ্যোগকে ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে। ভবিষ্যতে মাসিক ভিত্তিতে কর্মী‑কেন্দ্রিক সঙ্গীত, নাটক ও শিল্পকলা কর্মশালা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, মানবসম্পদ বিভাগ কর্মীদের সুস্থতা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধির জন্য একটি ‘সাংস্কৃতিক উন্নয়ন নীতি’ প্রণয়ন করেছে, যার অধীনে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, শিল্পী সংযোগ ও অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এভাবে কর্মস্থলের সংস্কৃতি সমৃদ্ধি ও কর্মী সন্তুষ্টি দুটোই একসাথে উন্নত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।