প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
দৈনিক মাদারীপুর ২৪ নিউজ।
দৈনিক মাদারীপুর ২৪ নিউজ। নতুন শহর, হরি কুমারিয়া, মাদারীপুর।
০১৩১৮৬৫৬৮৭৮ | sajjadsharif304@gmail.com
জাতীয়

আজমুল হত্যায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক সাবেক শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার, তিন আসামির স্বীকারোক্তি

আজমুল (বয়স ২৪) ২৮ মার্চ খুলনা শহরে গৃহহিংসা হত্যার শিকার হন। ঘটনাস্থলে তৎক্ষণাৎ পুলিশ উপস্থিত হয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। আজমুলের পরিবার ও প্রতিবেশীরা শোক প্
প্রতিবেদক: শরীফ সাজ্জাদ প্রকাশ: Sep 23, 2026 প্রিন্ট: 17 Oct 2026, 09:48 PM
আজমুল হত্যায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক সাবেক শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার, তিন আসামির স্বীকারোক্তি

আজমুল (বয়স ২৪) ২৮ মার্চ খুলনা শহরে গৃহহিংসা হত্যার শিকার হন। ঘটনাস্থলে তৎক্ষণাৎ পুলিশ উপস্থিত হয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। আজমুলের পরিবার ও প্রতিবেশীরা শোক প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে অপরাধীর দ্রুত ধরার দাবি জানায়। গত সপ্তাহে একই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এক সাবেক শিক্ষার্থীকে বাদ দিয়ে, আজমুলের হত্যায় সংশ্লিষ্ট আরেক সাবেক শিক্ষার্থীকে ১৫ জুলাই রাত্রি ২:৩০ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের নিকটবর্তী গলিতে গোপনীয়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত সন্দেহভাজনকে অপরাধের স্বীকারোক্তি নেওয়া হয় এবং তিনজন সহ-আসামির স্বীকারোক্তি ইতিমধ্যে আদালতে দাখিল করা হয়েছে।

আজমুলের হত্যার পটভূমি জটিল সামাজিক ও পারিবারিক বিরোধে নিহিত। প্রাথমিক তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে যে, আজমুলের সঙ্গে তার পূর্বের সঙ্গী ও কিছু পরিচিতের মধ্যে সম্পত্তি ও পারিবারিক সম্পদের বণ্টন নিয়ে বিরোধ চলছিল। একই সঙ্গে, গত বছরই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে একাধিক হিংসাত্মক ঘটনার প্রতিবেদন পাওয়া গিয়েছিল, যার মধ্যে কয়েকটি অপরাধী শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তবে, আজমুলের ক্ষেত্রে অপরাধের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন দীর্ঘ সময়ের সঞ্চয়িত ঘৃণা ও ব্যক্তিগত বিরোধের ফলাফল বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই পটভূমি তদন্তকে আরও জটিল করে তুলেছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সাক্ষ্য সংগ্রহে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত সন্দেহভাজন এবং তিন সহ-আসামির স্বীকারোক্তি শুনে পুলিশ প্রধানের মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, অপরাধের পূর্ব পরিকল্পনা ও সমন্বয় স্পষ্ট এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। আজমুলের পরিবার এই স্বীকারোক্তি শুনে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে, তবে তারা ন্যায়বিচার দ্রুত কার্যকর হওয়ার দাবি পুনর্বার জানিয়েছে। স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, এই ধরনের হিংসা রোধে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলতে থাকায়, জনমত গঠনেও এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

অধিকর্তা এখনো পর্যন্ত গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং প্রমাণ সংগ্রহের জন্য ফরেনসিক বিশ্লেষণ, ফোন রেকর্ড ও আর্থিক লেনদেনের তদন্তকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। আদালতে প্রমাণ উপস্থাপনের পর, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ দায়িত্বশীল দল গঠন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে একই ধরনের হিংসা রোধে বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় প্রশাসনকে যৌথভাবে নিরাপত্তা পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা সেবা চালু করা এবং আইন প্রয়োগে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দৈনিক মাদারীপুর ২৪ নিউজ।