সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকায় অবস্থিত ‘সিলেকশন হোটেল’-এর শৌচাগারে ২৫ বছর বয়সী কুলছুমা আকতার গলাকাটা লাশ আবিষ্কৃত হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের উপর ধারালো অস্ত্রের চিহ্ন ও গলকাটা দেখা যায়। লাশের পাশে আড়াই বছরের একটি শিশু, যাকে হোটেল কর্মীরা ‘মেয়েটি’ বলে চিহ্নিত করে, উপস্থিত ছিল। হোটেল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশকে জানায়।
এই হোটেলটি শহরের অন্যতম জনপ্রিয় আবাসিক হোটেল, যেখানে সাশ্রয়ী মূল্যের কক্ষ ও ২৪ ঘন্টা সিকিউরিটি সেবা রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি ছোটখাটো চুরি ও হিংসাত্মক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। হোটেল ম্যানেজার জানান, হোটেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করা হয়েছে, কিন্তু এই ঘটনায় নিরাপত্তা ফাঁক দেখা দিয়েছে।
পুলিশের প্রধান গোয়েন্দা মি. রাকিব বলেন, ‘আমরা সন্দেহভাজনকে দ্রুত শনাক্ত করার চেষ্টা করছি। লাশের উপর অস্ত্রের চিহ্ন ও আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করা হয়েছে।’ কুলছুমার পরিবারে শোকের ঢেউ বইছে; তার মা বলেন, ‘আমার মেয়ে এখনো জীবিত থাকলে ভালো হতো।’ শিশুটির মানসিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে, এবং হোটেল কর্তৃপক্ষকে শিশুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
হোটেল ম্যানেজার ও সিটি পুলিশ বিভাগ মিলিতভাবে হোটেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা করছে। হোটেল কর্তৃপক্ষ হোটেলের সব কক্ষ ও শৌচাগারের ক্যামেরা রেকর্ডিং পরীক্ষা করছে। পুলিশ তদন্তে সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করার জন্য বিশেষ টিম গঠন করেছে। ভবিষ্যতে হোটেলগুলোতে নিরাপত্তা মানদণ্ড কঠোর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।